source : adobe stock জৈনধর্মের ২৪ তম শেষ তীর্থংকর ছিলেন মহাবীর । পার্শ্বনাথ প্রবর্তিত ধর্মের কিছু সংস্কার করে এই ধর্মকে তিনি সর্বসাধারণের মধ্যে প্রচার করার মাধ্যমে জৈন ধর্মকে একটি প্রভাবশালী ধর্মে পরিণত করেন । পার্শ্বনাথ প্রচারিত চতুর্যাম আদর্শের সঙ্গে মহাবীর আরও একটি আদর্শ যােগ করেন এবং তা হল সূচিতা বা ব্ৰত্মচর্য । ৩০ বছর বয়সে সংসার ত্যাগ করে দীর্ঘ ১২ বছর কঠোর সাধনার পর তিনি কৈবল্য বা সিদ্ধিলাভ করেন এবং জিন বা জিতেন্দ্রিয় নামে পরিচিত হন । আনুমানিক ৫৪০ খ্রিস্টপূর্বে বিহারের মজঃফরপুর জেলায় মহাবীরের জন্ম হয় । ছােটো বেলায় তা…
source: adobe stock গৌতমবুদ্ধ ছিলেন বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক । আনুমানিক ৫৬৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেপালের তরাই অঞলের কপিলাবস্তু রাজ্যে গৌতমবুদ্ধের জন্ম হয় । জন্মকালে তাঁর নাম রাখা হয় সিদ্ধার্থ। জন্মের সাতদিন পরেই তিনি মাতৃহীন হলে তাঁর বিমাতা গৌতমী তাঁকে পুত্রস্নেহে লালনপালন করতে থাকেন। এইজন্য পরবর্তীকালে তাঁর নাম হয় গৌতম । ২৯ বছর বয়সে স্ত্রী গােপাও নবজাত পুত্র রাহুলের মায়া ত্যাগ করে কোনাে এক গভীর রাত্রে তিনি গৃহত্যাগ করেন — বৌদ্ধশাস্ত্রে এই ঘটনা ' মহাভিনিষ্ক্রমণ ’ নামে খ্যাত। ৩৫ বছর বয়সে বােধিবা দিব্যজ্ঞান ল…
source: adobe stock বর্ণাশ্রম প্রথা : প্রথম দিকে বৈদিকসমাজে বর্ণভেদ বা জাতিভেদ প্রথার বিশেষ প্রচলন ছিল না । অনার্যদের সঙ্গে অবিরাম যুদ্ধের ফলে আর্য ও অনার্যদের মধ্যে শ্রেণিভেদের উদ্ভব এবং বর্ণাশ্রম প্রথার উন্মেষ হয় । এই সময় ভারতবাসীরা দেহের বর্ণ অনুসারে দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল , যথা : ( ক ) শ্বেতকায় আর্য এবং ( খ ) কৃষ্ণকায় অনার্য । ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলে ‘ পুরুষ - সূত্রে প্রথম বর্ণভেদের উল্লেখ পাওয়া যায় । চতুরাশ্রম ব্যবস্থা : চতুরাশ্রম’ব্যবস্থা ছিল বৈদিক সমাজব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য । আশ্রম ’ কথার অর্থ হল…
source: adobe stock (১ ) নগর পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্য : ( ক ) প্রধান নগর পরিকল্পনা : হরপ্পা সভ্যতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে , এটি ছিল এক অতি উন্নত নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা । হরপ্পা সভ্যতার মহেঞ্জোদাড়াে , হরপ্পা , কালিবঙ্গান , লােথাল প্রভৃতি নগরগুলি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত । হরপ্পা সভ্যতার নগর পরিকল্পনার দুটি প্রধান দিক ছিল এই যে , প্রত্যেকটি নগর দুর্গ দ্বারা বেষ্টিত ছিল । উঁচু ঢিপির ওপর দুর্গ নির্মাণ করা হত । শাসকশ্রেণির লােকেরা দুর্গের অভ্যন্তরে বসবাস করতেন আর নগর দুর্গের নীচে অবস্থিত উপনগরীতে ছিল সাধারণ মানুষের…
source: adobe stock ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দোপাধ্যায় সিন্ধু প্রদেশের লারাকানা জেলায় মহেঞ্জোদারাে এবং পণ্ডিত দয়ারাম সাহানি পাঞ্জাবের মন্টগােমারী জেলার হরপ্পা নামক স্থানে হরপ্পা সভ্যতার (Harappan Civilazation) নিদর্শন আবিষ্কার করেন। বিস্তার (Expansion) সিন্ধুনদের তীরে প্রথম হরপ্পা সভ্যতার (Harappan Civilazation) নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়. প্রথমে এই সভ্যতাকে সিন্ধুসভ্যতা (sindhu Civilazation) বলা হলেও সাম্প্রতিককালের নানান প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার এই সভ্যতার পরিধিকে সিন্ধুতট অতিক্রম করে পাকিস…
source: adobe stock ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে আবিষ্কৃত নতুন প্রস্তর যুগের সমসাময়িক সময়ের মেহেরগড় সভ্যতা ছিল বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলির অন্যতম । আজ থেকে প্রায় ৮,৫০০ বছর আগে মেহেরগড় ও তার সন্নিহিত অঞ্চলে ভারতীয় সভ্যতার বিকাশের যে সূত্রপাত হয় , তা প্রথমে হরপ্পা সভ্যতা ও পরে ঋক - বৈদিক সভ্যতার বিকাশের মধ্য দিয়ে পরিপূর্ণতা লাভ করে । তাই বিভিন্ন ঐতিহাসিক মেহেরগড় সভ্যতা , হরপ্পা সভ্যতা এবং বৈদিক সভ্যতাকে ভারতের নিজস্ব এক অবিচ্ছিন্ন সভ্যতার বিভিন্ন পর্ব বলে চিহ্নিত করে এদের একসঙ্গে সিন্ধু - সরস্বতী সভ্যতা নামে অভিহিত করেছেন । …
source: adobe stock ( ১ ) প্রাচীন প্রস্তর যুগ , ( ২ ) মধ্যপ্রস্তর যুগ , ( ৩ ) নতুন প্রস্তর যুগ এবং ( ৪ ) ধাতু যুগ । ( ১ ) প্রাচীন প্রস্তর যুগ : অনুমান করা হয় যে , যিশুখ্রিস্টের জন্মের পাঁচ লক্ষ বছর আগেই প্রাগৈতিহাসিক যুগের ভারতে প্রাচীন প্রস্তর যুগের সূচনা হয় এবং আনুমানিক ৮,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই যুগের শেষ হয় । ভারতে প্রাচীন প্রস্তরযুগের মানুষের আকৃতি ছিল খর্বকায় এবং ঘাের কৃষ্ণবর্ণ । এই যুগের মানুষের নির্দিষ্ট বাসস্থান ছিল না , তারা কৃষিকাজ জানত না এবং আগুন জ্বালাতে পারত না । এ প্রাচীন প্রস্তরযুগের ম…
Social Plugin